সাধারণ নিয়মাবলী
“Learning should come to children as flying comes to birds, swimming to fish and running to animals.”
— Comenious
বিদ্যালয়ের কর্তব্যগুলি নিয়ম শিক্ষার্থীদের স্বার্থে প্রবর্তিত আছে। এগুলি অবশ্য পালনীয়।
বিদ্যালয়ে প্রার্থনাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। প্রার্থনা সভায় প্রত্যেক শিক্ষার্থীর উপস্থিতি ও অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক।
প্রত্যেক ছাত্রীকে বিদ্যালয়ের অনুমোদিত পোশাক পরিধান করে যথাসময়ে বিদ্যালয়ে আসতে হবে। বিদ্যালয়ের অনুমোদিত পোশাক পরিধান না করলে যোগদান করতে হবে। এই নিয়ম কার্যকরভাবে বাধ্যতামূলক প্রযোজ্য।
- ষষ্ঠ শ্রেণি ছাত্রীদের সাদা শার্ট, সবুজ স্কার্ট, সবুজ বেল্ট ও সঙ্গে সবুজ টাই।
- নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রীরা সাদা কামিজ, সবুজ সালওয়ার, সবুজ ওড়না, সবুজ বেল্ট, পায়ে সাদা কেডস ও সাদা মোজা। উজ্জ্বল রঙের চুলের ব্যবহার নিষিদ্ধ।
বিদ্যালয়ের কর্মদিবস এবং প্রতিটি বিষয়ের ক্লাসে ছাত্রীদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির ক্ষেত্রে উপস্থিতির বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্বসহকারে বিবেচিত।
- বিশেষ ক্ষেত্রে অনুপস্থিতির জন্য অভিভাবক/অভিভাবিকা স্বাক্ষরযুক্ত অনুমতি পত্র বিদ্যালয়ের প্রধানের নিকট অবশ্যই জমা করতে হবে।
- কর্মদিবসগুলির মধ্যে অন্ততঃ ৯৫ শতাংশ বা এর বেশি উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
বিনা অনুমতিতে বিদ্যালয় চলাকালীন কোনও ছাত্রী বিদ্যালয় ত্যাগ করলে বা শান্তিযোগ্য শৃঙ্খলাবিরোধী আচরণ করলে তাকে গণ্য করা হবে।
বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালীন বাহানাবাজি অনাকাঙ্ক্ষিত দাঁড়ানো বা চলাফেরা কঠোরভাবে নিষেধ।
একমাত্র অসুস্থতা অথবা সঙ্গত কারণ ব্যক্তিকে সকল ছাত্রীকে বিদ্যালয়ের সমস্ত পরীক্ষায় বসতে হবে। উপযুক্ত কারণে পরীক্ষায় বসতে না পারলে অভিভাবক প্রধান শিক্ষিকার নিকট লিখিত আবেদন জানাতে হবে। নির্বাচিত বা বার্ষিক পরীক্ষায় অসুস্থতার কারণে দিতে না পারলে চিকিৎসকের সার্টিফিকেট সহ দর্শায়ন করতে হবে এবং সেক্ষেত্রে পূর্ববর্তী পরীক্ষার ফলাফল বিবেচনা করা হবে।
পরীক্ষায় অদক্ষ উপস্থিত অনুপস্থিতির জন্য সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার সমস্ত পরীক্ষা বাতিল বলে গণ্য করা হবে।
বিদ্যালয়ের অনুমোদনপত্র ছাড়া উপস্থিতি অগ্রহণযোগ্য।
বার্ষিক পরীক্ষা এবং ফাইনাল টেস্ট পরীক্ষার পূর্বে ছাত্রীরা বিদ্যালয়ের প্রাপ্য (dues) অবশ্যই মিটিয়ে দিতে হবে। অন্যথায় শিক্ষার্থীর ফল প্রকাশ বিলম্ব হবে।
ছাত্রীদের কারণ কোনো পুস্তক কিংবা ধ্রব না বলে যথা করার এবং তা যদি প্রমাণসহ ধরা পড়ে তবে সেই ছাত্রীরা বিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃত করা হবে। এই আচরণ আমাদের অযোগ্য বলে গণ্য করা হবে।
শিক্ষিক ও গুণনীয়দের প্রতি সৌজন্যমূলক ও সর্বাধার শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা প্রতি ছাত্রী কর্তব্য।
প্রধান শিক্ষিকা অনুমতি ব্যক্তি বিদ্যালয়ের ঠিকানায় কোনো ছাত্রী চিঠিপত্র প্রেরণ প্রদান চলবে না।
শ্রেণীর কাজে নির্ধারিত তৈরী করা বাধ্যতামূলক। পাঠ্যনাকালে শ্রেণীশিক্ষকের কোনো ছাত্রী ক্ষুণ্ণ করলে শিক্ষিকা তৎক্ষণাৎ তাকে শ্রেণী কক্ষের বাইরে বার করে দেবেন।
একাডেমিকের দুবার এক শ্রেণীতে অকৃতকার্য হলে বিদ্যালয় পরিবর্তন (Transfer) বাধ্যতামূলক।